• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
Headline
ভূঞাপুরে ১৫ লাখ টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে আপন ভাই-বোনের বিরোধ, বড় ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন কুয়াকাটার পর এবার পুরো পটুয়াখালী ঘিরে পর্যটনের মহাপরিকল্পনা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে প্রিয় শিক্ষককে স্মরণ ঘাটাইলে শারদীয় দুর্গোৎসব: নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলায় বিশেষ নজর সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় দ্রুত ‘সাংবাদিক সুরক্ষা আইন’ প্রণয়নের দাবি নবীনদের বরণে বেতগাড়ী একরামিয়া মাদ্রাসায় প্রাণবন্ত আয়োজন ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো’—ডিমলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নানা কর্মসূচি শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম: মানিকগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবস দাসপাড়া হরি মন্দিরের সংস্কার উদ্বোধনে মেয়র প্রার্থী শরিফুল ইসলাম খোকন শিশিরভেজা ভোরে প্রকৃতির রূপবদল, আসছে কি শীত?

নীলফামারীতে ভেজাল প্রসাধনীর রমরমা কারবার জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে

Reporter Name / ৪৮ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

আশীষ বিশ্বাস

নীলফামারী প্রতিনিধি;

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের চওড়া ডাংগী তেলিপাড়া এলাকায় গড়ে উঠেছে অবৈধ ও নকল প্রসাধনী তৈরির কারখানা। কোনো প্রকার অনুমোদন ও মাননিয়ন্ত্রণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে এখানে উৎপাদিত হচ্ছে নকল সাবান, শ্যাম্পু, ফেসক্রিম, সরিষা তেল, মাথার তেল এবং ট্যালকম পাউডারসহ নানা ধরনের ভেজাল সামগ্রী।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি অসাধু চক্র গ্রামটির নিরিবিলি পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে বসতবাড়ির ভেতরেই গোপন কারখানায় ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে এসব নকল সামগ্রী তৈরি করছে। পরবর্তীতে নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়ক ও বোতল ব্যবহার করে এসব পণ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে স্থানীয় বাজারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খুচরা দোকানে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকার নুর ইসলাম এর ছেলে শামীম ইসলাম দীর্ঘদিন থেকে সরকারী অনুমোদন ছাড়াই অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উন্মুক্তভাবে বোতলজাত করছেন কেমিক্যালযুক্ত তেল ও প্রসাধনী। এসব কাজ করতে দেখা যায় কারিগর আনসার আলী নামের এক ব্যক্তিকে। প্লাস্টিকের ঝুড়ি ও কাঠের ট্রেরে ওপর সারিবদ্ধভাবে রাখা হলুদ ক্যাপের ছোট ছোট বোতলে ভরে বাজারজাতকরণের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এসব অবৈধ পণ্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মানহীন ও নিম্নমানের রাসায়নিক দিয়ে তৈরি প্রসাধনী ব্যবহারের ফলে ব্যবহারকারীদের ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি, অ্যালার্জি, চুলকানি, চুল পড়া এবং দীর্ঘদিন ব্যবহারে স্কিন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, পরিবেশ, বিএসটিআই এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ অভিযান চালিয়ে এই অবৈধ নকল কারখানার কার্যক্রম বন্ধ করা হোক এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবী জানান।
কারখানার মালিক শামীম ইসলাম এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি চুল কালো করার ব্ল্যাক বিউটি তেল ও চুলের প্রোটিন জাতীয় তেল উৎপাদন করি। পাশাপাশি ডিটারজেন্ট পাউডার ও সরিষার তেল তৈরি করতাম। আমি বর্তমানে ভাঙ্গরির দোকান থেকে বোতল নিয়ে এসে পরিষ্কার করে সেগুলোর ভিতরে প্রসাধনী প্যাকেট করে বাজারজাত করি। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, পরিবেশ, বিএসটিআই, ফায়ার লাইসেন্স, পরীক্ষার ল্যাবের কোন সরকারি অনুমোদন নেই। এগুলো ছারাই আমি দীর্ঘদিন থেকে চালাচ্ছি কারণ আমি সার্চ হিউমান সোসাইটি মানবাধিকার সংস্থার রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে আছি তাই এসবের আমার প্রয়োজন নাই।
এ বিষয়ে নীলফামারী জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: শামসুল আলমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা