• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
Headline
হাতিয়ার চরকিংয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অবৈধ পার্কিং বিরোধী অভিযান; ৭টি সিএনজি জব্দ ও কারাদণ্ড ১ বাংলাদেশ-নেপালের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়াতে রাষ্ট্রদূতের নতুন প্রস্তাব আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য, ফেনীর শ্রেষ্ঠ পরশুরাম মডেল থানা এসএসসি-দাখিলে সফল শিক্ষার্থীদের কালীগঞ্জে সংবর্ধনা শিবগঞ্জে জমিতে মাটি ভরাটে বাধা দেওয়ায় মারধর, পায়ের হাড় ভাঙার অভিযোগ চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে ফরাস উদ্দিনের গণসংযোগ বালিয়াডাঙ্গীতে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ সরাইলে মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ গ্রেপ্তার ১০, গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার মুক্তাঞ্চল প্রেসক্লাব’-এর ২ বছর মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

বাংলাদেশ-নেপালের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়াতে রাষ্ট্রদূতের নতুন প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক / ৬ Time View
Update : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ এবং পর্যটন সহযোগিতা আরও জোরদার করতে একটি বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল বিনিময় কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১৯ আগস্ট) নেপালের বসন্তপুরে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ারে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

বাংলাদেশ-নেপাল ফটো জার্নালিস্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে নেপালের ন্যাশনাল ফোরাম অব ফটো জার্নালিস্টস (এনএফপিজে) এবং বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) যৌথভাবে এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান বলেন, আলোকচিত্র যোগাযোগ ও অভিব্যক্তির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানে প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে নেপালি দর্শনার্থীরা বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন।

তিনি বাংলাদেশ ও নেপালের গভীর সাংস্কৃতিক সহযোগিতার কথা তুলে ধরে দুই দেশের অভিন্ন মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সাদৃশ্যের বিষয়টি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে নেপালে পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান ভ্রমণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে রাষ্ট্রদূত দুটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেন। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ও নেপালের আলোকচিত্রী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংগীতশিল্পী, লেখক, শিল্পীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মীদের অংশগ্রহণে বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল বিনিময় কর্মসূচি চালু করা।

প্রস্তাবিত কর্মসূচির আওতায় দুই দেশে পর্যায়ক্রমে যৌথ প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চলচ্চিত্র উৎসব, আলোকচিত্র বিনিময় ও কর্মশালার আয়োজন করা যেতে পারে বলে জানান তিনি।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ও নেপালের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটন গন্তব্যগুলো আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সমসাময়িক গণমাধ্যমের আরও কার্যকর ব্যবহার করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত। দুই দেশের ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনকে যৌথভাবে পর্যটন প্রচারণামূলক উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের দর্শনীয় স্থান ও পর্যটন আকর্ষণগুলো আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাস সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস উপলক্ষে প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য এনএফপিজে ও বিপিজেএকে অভিনন্দন জানিয়ে মো. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, এ আয়োজন বাংলাদেশ ও নেপালের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, দ্বিমুখী পর্যটন, পেশাগত সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব আরও বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক, চীনা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উপপরিচালকসহ নেপাল ও চীনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে চায়না সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আয়োজিত আরেকটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। সেখানে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি অতিথিদের সঙ্গে প্রদর্শনীর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা