ফেনীর পরশুরামে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের ২৫০ কৃতি শিক্ষার্থীকে ‘আলোকিত পরশুরাম বৃত্তি’র পুরস্কার ও সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে পরশুরাম অডিটোরিয়ামে বর্ণমালা পাঠশালা ও পরশুরাম কলেজিয়েট স্কুলের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আলোকিত পরশুরাম বৃত্তি পরীক্ষার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. ওমর ফারুক জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু।
আলোকিত পরশুরাম বৃত্তি পরীক্ষার চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক মো. মহি উদ্দিনের ব্যবস্থাপনায় এবং মামুনুর রশিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতনু বড়ুয়া, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পরশুরাম পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু তালেব, দৈনিক ফেনীর সময়ের সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম মানিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম শাফায়াত আখতার নূর, পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনি, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবদুল আলিম মাকসুদ, পরশুরাম সমিতি চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, পরশুরাম পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কাজী ইউছুফ মাহফুজ, পরশুরাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন মজুমদার এবং পরশুরাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু বলেন, যারা বৃত্তি পেয়েছে, তারা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে আরও অনেক শিক্ষার্থীকে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে। মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে এবং দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলবে।
আয়োজক কমিটি জানায়, ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত আলোকিত পরশুরাম বৃত্তি পরীক্ষায় পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার ১৫৭টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৩৬৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে সেরা ১০ জন শিক্ষার্থীকে সনদপত্র, স্কুল ব্যাগ, ফলজ চারা গাছ ও ৫০০ টাকা করে প্রদান করা হয়। এছাড়া ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জনকারী ৩৪ জন শিক্ষার্থীকে ৩০০ টাকা করে এবং সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জনকারী ২০৬ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে এমপি রফিকুল আলম মজনুর পক্ষ থেকে সেরা ১০ মেধাবী শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা উপহার দেওয়া হয়।