• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
Headline
ভূঞাপুরে ১৫ লাখ টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে আপন ভাই-বোনের বিরোধ, বড় ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন কুয়াকাটার পর এবার পুরো পটুয়াখালী ঘিরে পর্যটনের মহাপরিকল্পনা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে প্রিয় শিক্ষককে স্মরণ ঘাটাইলে শারদীয় দুর্গোৎসব: নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলায় বিশেষ নজর সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় দ্রুত ‘সাংবাদিক সুরক্ষা আইন’ প্রণয়নের দাবি নবীনদের বরণে বেতগাড়ী একরামিয়া মাদ্রাসায় প্রাণবন্ত আয়োজন ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো’—ডিমলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নানা কর্মসূচি শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম: মানিকগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবস দাসপাড়া হরি মন্দিরের সংস্কার উদ্বোধনে মেয়র প্রার্থী শরিফুল ইসলাম খোকন শিশিরভেজা ভোরে প্রকৃতির রূপবদল, আসছে কি শীত?

ভূরুঙ্গামারীতে জমির বিরোধে সংঘর্ষ-হত্যা, সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭

মো.আমিনুর রহমান,ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি / ২২ Time View
Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মাত্র ৮ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সহিদুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ২টার দিকে উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের রায়গঞ্জ ব্রিজসংলগ্ন খামার আন্ধারীঝাড় কানিপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত সহিদুল ইসলাম ওই এলাকার আব্দুল শেখের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আব্দুল শেখ ও শুক্কুর আলীর মধ্যে প্রায় ৮ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা সালিশ এবং ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিষয়টির কোনো সমাধান হয়নি।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সোমবার দুপুরে শুক্কুর আলীসহ কয়েকজন বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে হালচাষ করে রোপা আমন রোপণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় আব্দুল শেখের ছেলে সহিদুল ইসলাম ও তার স্বজনেরা সেখানে গিয়ে বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পরিবারের দাবি, সংঘর্ষের সময় সহিদুল ইসলামকে মাছ ধরার সরঞ্জাম কোঁচ দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের একটি দল এবং ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

পরে পুলিশ তাৎক্ষণিক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে মারামারি ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ জনকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ ছিল। এই বিরোধ আজ মারাত্মক সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং একজন ব্যক্তি নিহত হন। আমরা বিবাদমান এলাকার পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি। তাৎক্ষণিকভাবে মারামারি ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “নিহতের পরিবারের কাছ থেকে এজাহার পাওয়া গেলে আসামির সঠিক সংখ্যা নির্ণয় করা সম্ভব হবে। স্থানীয় ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আরও দুই-তিনজন ব্যক্তি পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। নিহত সহিদুল ইসলামের মরদেহের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা