আব্দুস সামাদ,পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরশনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি ((ইজিপিপি)এর আওতায় (সতী নদী- সতী নদীর নালা)মোক্তার পাড়া শেষ মাথা থেকে পূর্ব সির্ন্দুনা চিলাখাল পযর্ন্ত খাল খনন নিরসনের লক্ষ্যে (জিয়া খাল) খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।সোমবার ৪ মে বিকাল ৩ টায় উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে এই প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদীয় আসন ১৬ লালমনিরহাট ১ (পাটগ্রাম-হাতিবান্ধা) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান।
খাল খননের ফলে জলাবদ্ধতা কমবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন হবে। তারা দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদী ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হচ্ছিল। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তাদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। প্রকল্পটির খনন ব্যায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা প্রায়। এই প্রকল্পটিতে প্রতিদিন ৫০০ টাকা করে ৩৮৭ জন উপকার ভোগী খাল খনন কাজ করবে।
এসময় মাননীয় সংসদ সদস্য তার বক্তব্য বলেন, আমাদের নেতা বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সাহেব নির্বাচনী ইস্তেহারে খাল পুনঃ খননের জন্য যে ওয়াদা করেছিলেন তারই ধারাবাহিকতায় আজকে হাতিবান্ধা উপজেলায় এই খাল পুনঃখননের কাজ আজকে আমরা শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। আমাদের দেশ হল কৃষি প্রধান দেশ, এইজন্য কৃষকদের যাতে করে উন্নয়ন হয়, কৃষকের অধিক ফসল ফলানো যায় সেই চিন্তা থেকেই খাল খনন কর্মসূচি নিয়েছেন। এটার বিভিন্ন রকমের উপকারিতা আছে। খাল খননে যেমন পানির ব্যবস্থা হবে, যাতে করে কৃষির সুবিধা হবে, এছাড়াও এখানে একটা কর্মসংস্থান হবে এবং এই পানিতে আমরা মৎস্য চাষ করতে পাবো, খালের দুধারে ফলের গাছ লাগাতে পাবো।
এ সময় খালখননে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেব জন মিত্র, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোশাররফ হোসেন, সদস্য সচিব আফজাল হোসেন , উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উত্তম কুমার নন্দী , এলাকাবাসী ও স্হানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।