• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
Headline
রামগঞ্জে আগুনে পুড়ে বসতঘর ছাই ডাংঙ্গা ইউনিয়নবাসীকে ঈদুল আযহার অগ্ৰীম ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হাজ্বী শফিকুল ইসলাম স্বপন  আলীকদমে বিজিবির মেডিকেল ক্যাম্পেইন: ১৫০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ কচুয়ায় ৩ পিস ইয়াবাসহ মাদকসেবী আটক, স্থানীয় যুবকদের ধাওয়ায় পাকড়াও পাঁচবিবিতে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন  সাইবার সুরক্ষায় অবদানে সম্মাননা পেলেন জেএ টিভির সোস্যাল এডমিন ফজলুল কবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া শেখ হাসিনা রাস্তায় শিমরাইলকান্দি-বিজয়নগর সড়কের স্পিডব্রেকারে রং করার কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে।  মেলান্দহে প্রধান শিক্ষকের ল্যাপটপ এটিও ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার  চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের সদস্যদের অংশগ্রহণে মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত।

মেলান্দহে বাবা -ছেলের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি অভিযোগ, এলাকাবাসী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ

Reporter Name / ১৩৮ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

বাকিরুল ইসলাম, জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরে মেলান্দহে পৌরসভার পশ্চিম জালালপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী প্রধান হোতা আবু সাঈদ ওরফে সোর্সের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।

আবু সাঈদ, মো: হাবিব ও গেন্দার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা গণস্বাক্ষর করে স্থানীয় সংসদ সদস্য,জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আবু সাঈদ ইতিপূবে গ্রেপ্তার হয়েছেন, জেল খেটেছেন। ছাড়া পেয়ে আবার এলাকায় এসে মাদক ব্যবসা শুরু করেন।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছে, জালালপুর এলাকার মৃত মোতালেব খান ছেলে আবু সাঈদ, আবু সাঈদের ছেলে মো: হাবিব ও মৃত মইজ উদ্দিনের ছেলে গেন্দা প্রশাসনের নাকের ডগায় এক ঝাক মাদক ব্যবসায়ী লালন করে দেদারসে মাদকের রমরমা বানিজ্য করে আসছে। রহস্য জনক কারণে পুলিশ তার অপকর্ম জেনেও নিরব ভূমিকা পালন করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডিবি পুলিশের সাথে সোর্স আবু সাঈদ ভালো সখ্যতা থাকায় বুক ফুলিয়ে বীরদর্পে তার বাহিনীর মাধ্যমে রমরমা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালানোর আগেই সব মাদক ব্যবসায়ীদের পূর্বেই সতর্ক করে দেন সোর্স আবু সাঈদ। যার ফলে অভিযান চালিয়েও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সফলতা পাচ্ছে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার জালালপুর আবু সাঈদ, হাবিব ও গেন্দাসহ প্রকাশ্যে মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইয়াবা বিক্রি করছেন। এলাকায় মাদকের স্বর্গ রাজ্যে পরিনত করেছে বলে অভিযোগ এলাবাসীর।

জালালপুর গ্রামে এলাহি বলেন, আবু সাঈদ, তার ছেলে হাবিব এখনো পাইকারি ভাবে বিক্রি করিতাছে৷৷ এলাকায় আরো কই এক জন কে সাথে নিয়ে৷ প্রতিবাদ করিতে গেলে আমাদের উপর হামলা করে ৷ এর একটা ব্যাবস্থা নেওয়ার দরকার।

জালালপুর গ্রামে আকরাম বলেন, এখানে যেভাবে মাদকের বিস্তার ঘটছে, তা আমার গ্রামের জন্য লজ্জার। আমি চাই যেকোনো মূল্যে এ এলাকা মাদকমুক্ত হোক।

দাগী গ্রামে আ: রহমান চুন্নু বলেন- একদম সত্য নিয়োজ এর নামে মেলান্দহ থানায় অনেক চুরির মামলা আছে। বর্তমানে মাদকের সাথে জড়িত এবং মাদক সেবন কারি। একজন মাদক সেবন কারি যদি পুলিশের সোর্স হয় তাহলে অন্য অন্য অপরাধী কে ধরা সুবিধা হবে এর জন্য হয়তো বেছে নিয়েছে।

কয়েকজন গণস্বাক্ষরকারী বলেন, গণস্বাক্ষর করে লাভ কি? আর আপনাদের বক্তব্য দিয়েই লাভ কি? কয়েক সপ্তাহ হয়ে গেলো লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। মাদক ব্যবসায়ীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। নেই কোন প্র

আবু সাঈদের স্ত্রী আফরোজা বেগম বলেন, আমার স্বামী অপরাধী সেটা আমি জানি, আগে মাদক বিক্রি করছে, এখন বাদ দিয়েছে।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য গেন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আবু সাঈদ ওরফে সোর্স বলেন, ১৭ বছর ধরে সোর্স হিসাবে কাজ কাজ করে আসছি, মেলান্দহ থানায় আগে কাজ করতাম, এখন জামালপুর ডিবি অফিসে সোর্স হিসাবে কাজ করি। আমি কারো কোন ক্ষতি করে নাই।

আবু সাঈদ ছেলে হাবিব বলেন, আমি জামালপুর উইজডম কলেজে লেখাপড়া করি। আমার বাবার কারণে যদি আমাকে ফাসাইয়া দেন করা কিছু নাই। আমার বাবা এর আগে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিল। এখন বাদ দিয়েছে।

জামালপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) ইয়াহিয়া আল মামুন বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেই। অভিযোগ দিয়ে থাকলে সার্কেল এসপি ও ওসিকে দেওয়া হবে। চুরির বিষয়ে আমরা কাজ করতেছি। মাদকের বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা