• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে বন্ধ রাস্তা, দুর্ভোগে ৩০ পরিবার — দ্রুত সমাধানের দাবি স্থানীয়দের দীর্ঘবছর পর বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালে পুনরায় সিজার কার্যক্রম চালু ৫  ঠাকুরগাঁওয়ে পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ব্রি ধান-১০২ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হরিপুরে জিংক ব্রি ধান-১০২ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত ভূতের ও জ্বীনের রাজত্ব যেন নরসিংপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তালাবদ্ধ ভবন, চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। শিশু আবিরার আবদার পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী: বগা সেতু পরিদর্শনে মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম চান্দিনায় বিশেষ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩, দুইজন মাদক মামলায় গ্রেফতার জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের পরিবারকে হত‍্যার হুমকি ঘাটাইলে ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তিন দিন ব্যাপী ভুমি সেবা মেলা

সড়ক নয়, যেন মৃত্যুকূপ: ইটভাটা-মাটি ব্যবসায় ধ্বংস সিংগাইরের ১২ কিমি সড়ক

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

মাহমুদুল হাসান, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:
ইটভাটার ভারী ট্রাক আর ফসলি জমির মাটি বহনের কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে সিংগাইর উপজেলার অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক। মানিকনগর বাজার থেকে সিরাজপুর বাজার এবং পালপাড়া মান্নার দোকান থেকে ফতেপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার সড়ক এখন খানাখন্দে ভরা। কোথাও ইট-সুরকি উঠে গেছে, কোথাও সৃষ্টি হয়েছে হাঁটুসমান গর্ত।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মাটি ও ইটবোঝাই ১০-১৫ টনের ট্রাক চলাচল করে। অথচ ইউনিয়ন পর্যায়ের এই সড়ক ভারী যান চলাচলের উপযোগী নয়। অতিরিক্ত ওজনের ট্রাক চলায় পিচ উঠে যাচ্ছে, দেবে যাচ্ছে রাস্তা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির দুই পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ ইটভাটা ও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রির ব্যবসাই এই বেহাল দশার মূল কারণ। বর্ষায় মাটির ট্রাক থেকে পড়া কাদায় সড়ক আরও পিচ্ছিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায় তারিকুর রহমান বলেন, “ভাটার ইট ও জমির মাটি নেওয়ার ১০ চাকার ট্রাক দিনরাত চলে। ওভারলোডের কারণে রাস্তা টিকছে না। একবার মেরামত করলেও ৬ মাসে আবার নষ্ট হয়ে যায়।”

প্রতিদিন চান্দহর ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। পথচারী তৈয়ব আলী বলেন, “বৃষ্টি হলে কাদা-পানিতে একাকার। সুস্থ মানুষও এই রাস্তায় অসুস্থ হয়ে যায়।”

গাড়িচালক সালোয়ার হোসেন বলেন, “মাটি-ইটের ট্রাকের কারণে রাস্তায় বড় গর্ত হয়। সেই গর্তে পড়ে আমাদের ছোট গাড়ির চাকা-স্প্রিং ভেঙে যায়।”

যাত্রী সোলাইমান বলেন, “রোগী ও গর্ভবতী নারীদের জন্য এটি আতঙ্কের নাম। অ্যাম্বুলেন্স আসতে চায় না।”

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সংস্কার নয়, সড়কটি রক্ষায় ইটভাটার ট্রাক ও মাটি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে কয়েক কোটি টাকা বরাদ্দও পানিতে যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, মানিকনগর থেকে সিরাজপুর বাজার পর্যন্ত সড়কের প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে। অন্যদিকে মান্নার দোকান থেকে ফতেপুর বাজার পর্যন্ত সড়কটির জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা