মোঃ নুরুজ্জামান ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী প্রতিনিধি।
ঠাকুরগাঁওবাসীরআজ ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও , মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যার (এমপি,মাননীয় মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়) সহ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মিস আফরোজা খানম রিতা এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত কর্মকর্তাবৃন্দ। এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত বোধ করছি।
ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু হওয়া শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি হবে সমগ্র উত্তরবঙ্গের সম্ভাবনার নতুন দ্বার। বিমানবন্দর চালু হলে ঠাকুরগাঁওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও আধুনিক, দ্রুত ও সহজ হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, কৃষিপণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অল্প সময়ে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে, ফলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
এছাড়াও শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ, দেশের বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে যোগাযোগ অনেক সহজ হয়ে যাবে। পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে, দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে ঠাকুরগাঁও আরও পরিচিত হয়ে উঠবে। নতুন নতুন শিল্প-কারখানা, হোটেল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যার মাধ্যমে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মুক্ত হবে।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের গতি আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। ঠাকুরগাঁও হয়ে উঠবে উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ কেন্দ্র। একটি বিমানবন্দর শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়—এটি একটি জেলার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, সম্ভাবনার প্রতীক।
দীর্ঘদিনের স্বপ্নের এই বিমানবন্দর দ্রুত চালুর পথে এগিয়ে যাওয়ায় ঠাকুরগাঁওবাসীর মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
এই মহৎ উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা।