• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
Headline
দিঘলিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন কমিটির তিনদিনের কর্মসূচির সমাপ্তি অনুষ্ঠিত লামায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সম্পৃক্ততায় বন্যা সচেতনতা সভা তেঁতুলিয়ায় পূবালী ব্যাংকের কম্পিউটার লিটারেসি সেন্টার উদ্বোধন পরশুরামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর সমাপনী সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বীর উজলীতে স্কুলছাত্র নিখোঁজ, রক্তমাখা পোশাক উদ্ধার কালিয়াকৈরে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয় আখাউড়ার খড়মপুর মাজারের দানবাক্স গুণে মিলল ১ কোটি ৩ লাখ টাকার বেশি হেলমেট-লাইসেন্স ছাড়াই বাইক চালানো: সিংড়ায় ৪ আরোহীকে জরিমানা তেঁতুলিয়ায় পূবালী ব্যাংকের CSR উদ্যোগে কম্পিউটার লিটারেসি সেন্টার উদ্বোধন সংকীর্ণ খালে বালুবাহী বড় জাহাজ, আতঙ্কে নগরকান্দার নাউডুবির মানুষ

কালিয়াকৈর অতিরিক্ত তাপ প্রবাহে জনজীবন অতিষ্ট পর্যটন কেন্দ্র পার্ক বিনোদন ওয়াটার ফ্রন্ট পুল গুলোতে উপচে পরা ভিড় 

Reporter Name / ১২৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

দেশজুড়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহে জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন স্বস্তির খোঁজে পর্যটন কেন্দ্র পার ও বিনোদন কালিয়াকৈরের পর্যটন কেন্দ্র, পার্ক ও বিনোদন রিসোর্টের ওয়াটারফ্রন্ট-পুলগুলোতে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। তীব্র রোদ ও অস্বস্তিকর গরম থেকে রক্ষা পেতে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ-বৃদ্ধ সবাই ভিড় করছেন এসব জায়গায়।

সরেজমিনে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা, মৌচাক, মধ্যপাড়া ও সফিপুর এলাকার কয়েকটি বিনোদন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পুলের পানিতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। দেখা যায়, একটি রিসোর্টের কৃত্রিম পুলে গাদাগাদি করে গোসল করছেন শত শত মানুষ। পুলের চারপাশের ছাউনির নিচে বসার জায়গা নেই। অনেকেই পাম গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে পানিতে নামার জন্য অপেক্ষা করছেন।

 

তীব্র গরমের কারণে অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে সরাসরি পুলে নেমে পড়েছেন। কেউ পোশাকসহ, কেউ আবার গামছা-লুঙ্গি পরে পানিতে নেমে গরমের কষ্ট ভুলতে চাইছেন।

মৌচাক এলাকার বাসিন্দা আলামিন হোসেন বলেন, দুইদিন ধরে ঘরে থাকাই দায়। ফ্যান চললেও গরম লাগে। বাচ্চারা কান্নাকাটি করতেছে। তাই ৫০ টাকা টিকিট কেটে পুলে নিয়ে আসলাম। আধা ঘণ্টা পানিতে থাকার পর এখন একটু স্বস্তি লাগতেছে।

হঠাৎ দর্শনার্থীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় বিনোদন কেন্দ্রগুলোর ব্যবস্থাপনা হিমশিম খাচ্ছে। অধিকাংশ পুলে নির্ধারিত ধারণক্ষমতার চেয়ে ৩-৪ গুণ বেশি মানুষ গোসল করছেন। এতে পানির গুণগতমান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।

 

 

অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, পুলে লাইফগার্ডের সংখ্যা খুবই কম। ১৫০-২০০ মানুষের জন্য মাত্র ১-২ জন লাইফগার্ড দায়িত্বে থাকছেন। শিশু-কিশোররা সাঁতার না জানলেও গভীর পানিতে নেমে যাচ্ছে। এতে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের। রাঙামাটি রিসোর্টের এক কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গরমের কারণে প্রতিদিন ১-২ হাজার মানুষ আসতেছে। আমাদের লাইফগার্ড ও কর্মী সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ নাই। মাইকিং করে সতর্ক করি, কিন্তু কেউ শোনে না।

 

 

কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, অতিরিক্ত ভিড়ের পুলে গোসল করলে চর্মরোগ, ফাঙ্গাস ইনফেকশন ও চোখের কনজাংটিভাইটিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেকে পানিতে প্রস্রাব-থুথু ফেলেন, যা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়ায়।

তিনি পরামর্শ দেন, গোসলের আগে-পরে সাবান দিয়ে গোসল করতে হবে। পুলের পানি যদি ক্লোরিনযুক্ত না থাকে তবে সেখানে না নামাই ভালো। আর হিটস্ট্রোক এড়াতে প্রতি ২০ মিনিট পরপর ছায়ায় বসে বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন খেতে হবে। শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা