নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজের মেধা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নোয়াখালীর সুনাম ছড়িয়ে যাচ্ছেন নোয়াখালীর কৃতি সন্তান এটিএম হায়দার খান। বর্তমানে তিনি অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটি ফায়ার ডিপার্টমেন্টে ইনস্পেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এটিএম হায়দার খানের বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায়। তিনি কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট এলাকার ঐতিহ্যবাহী ও সুপরিচিত সামাজিক-মানবিক সংগঠন “মাস্টার ওয়াজিউল্লাহ ফাউন্ডেশন”-এর সঙ্গে পারিবারিকভাবে সম্পৃক্ত। তিনি সংগঠনটির কর্ণধার এবং চাপরাশিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মরহুম মাস্টার ওয়াজিউল্লাহর মেয়ের জামাতা।
প্রবাস জীবনে দায়িত্বশীল পেশাগত অবস্থানের পাশাপাশি নিজ এলাকার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। স্থানীয়দের মতে, এটিএম হায়দার খান শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য অর্জন করেননি, বরং বিদেশের মাটিতে নোয়াখালীকে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরছেন।
উল্লেখ্য, “মাস্টার ওয়াজিউল্লাহ ফাউন্ডেশন”-এর উদ্যোগে গত বছর নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ১০০ বল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের মাধ্যমে নোয়াখালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা হয়। এছাড়াও সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এটিএম হায়দার খানের এই অর্জন নোয়াখালীর তরুণ সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাঁর মতো কৃতি সন্তানরা নিজ নিজ যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন।
পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এটিএম হায়দার খান দেশের সুনাম বয়ে আনবেন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবেন।