• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
Headline
রামগঞ্জে আগুনে পুড়ে বসতঘর ছাই ডাংঙ্গা ইউনিয়নবাসীকে ঈদুল আযহার অগ্ৰীম ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হাজ্বী শফিকুল ইসলাম স্বপন  আলীকদমে বিজিবির মেডিকেল ক্যাম্পেইন: ১৫০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ কচুয়ায় ৩ পিস ইয়াবাসহ মাদকসেবী আটক, স্থানীয় যুবকদের ধাওয়ায় পাকড়াও পাঁচবিবিতে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন  সাইবার সুরক্ষায় অবদানে সম্মাননা পেলেন জেএ টিভির সোস্যাল এডমিন ফজলুল কবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া শেখ হাসিনা রাস্তায় শিমরাইলকান্দি-বিজয়নগর সড়কের স্পিডব্রেকারে রং করার কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে।  মেলান্দহে প্রধান শিক্ষকের ল্যাপটপ এটিও ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার  চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের সদস্যদের অংশগ্রহণে মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত।

পঞ্চগড়ে অটো রাইস মিলের দাপটে চাতালকল হুমকির মুখে পড়েছে

Reporter Name / ৭ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম
পঞ্চগড়ে অটো রাইস মিলের দাপটে এবং ধানের উচ্চ মূল্যের কারণে অনেক ছোট চালকল বা চাতাল কল বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই পরিত্যক্ত চাতাল কলগুলো এখন বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে। চাতালকল বন্ধ হওয়ায় শত শত শ্রমিক বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসকিং মিল চাতাল সমৃদ্ধ এলাকায় অটো রাইস মিলের আধিপত্যের ফলে প্রায় ২ ০ হাজার চাতাল শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।

অটো মিলের আধিপত্য: চালকল মালিকরা বলছেন, অটো রাইস মিলে ধানের চাহিদা বেশি হওয়ায় তারা বাজারের বেশির ভাগ ধান কিনে নেয়, ফলে ছোট চাতাল কলগুলো টিকে থাকতে পারছে না।

একসময় ধান সংগ্রহের পর চাতালে শুকিয়ে হতো চাল প্রক্রিয়ার কাজ। এগুলোকে বলা হতো হাসকিং মিল বা চাতাল। শুধু চাল-ই নয়, গম, ভুট্টা, সরিষাসহ বহু শস্য শুকানো হতো চাতালে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ধান ও চালের মূল্য এবং অটো রাইস মিলের কারণে লোকসানে পড়ে চাতালগুলো আজ বিলুপ্তির পথে। তাই চাতাল ভেঙে কেউ কেউ গড়ে তুলছেন বাসা-বাড়ি, দোকানপাট। আবার কেউ কেউ গড়ে তুলছেন গরুসহ হাঁস-মুরগি, ছাগল-ভেড়ার খামার। এমন চিত্র পঞ্চগড় উপজেলাজুড়ে। চাতাল ব্যবসায় দুর্দিন চলায় মালিকরা ব্যবসা বদলাচ্ছেন।

চাতাল মালিকরা জানান, আশির দশকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাসকিং মিল-চাতাল তৈরি করে চালের ব্যবসা শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে গড়ে ওঠে চালকল। এর মধ্যে অটোমেটিক রাইস মিলও রয়েছে। চাতালগুলোতে উৎপাদিত চাল এ অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হতো। মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা এসব চাতালের মালিক ছিলেন। কয়েক হাজার নারী ও পুরুষ শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু আধুনিকতার উৎকর্ষে অটো রাইস মিলের দাপটে বাজারে টিকতে না পারার কারণে পুঁজি হারানোর আতঙ্কে সেই সুদিন এখন দুর্দিনে পরিণত হতে চলেছে। অনেকে এই ব্যবসায় অধিক পরিমাণ পুঁজি বিনিয়োগ করে হতাশ হয়ে এখন অন্য পেশার দিকে যাচ্ছেন।

দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা: কিছু ক্ষেত্রে, পরিত্যক্ত চালকলে সরকারি চাল বরাদ্দের নামে অনিয়মের ঘটনাও ঘটছে, যেমন পরিত্যক্ত কলে নিম্নমানের চাল সংগ্রহের প্রচেষ্টা।

শ্রমিক সংকট: পঞ্চগড়ের মতো বড় মোকামগুলোতে ৫ শতাধিক রাইচ মিল থাকলেও চাতাল শ্রমিকরা বর্তমানে ভালো নেই।

পরিত্যক্ত চাতাল কলগুলো গ্রামীণ অর্থনীতির একটি বড় অংশকে বেকার করে দিয়েছে এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে এই শিল্পটি হুমকির মুখে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা