• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
ভূতের ও জ্বীনের রাজত্ব যেন নরসিংপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তালাবদ্ধ ভবন, চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। শিশু আবিরার আবদার পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী: বগা সেতু পরিদর্শনে মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম চান্দিনায় বিশেষ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩, দুইজন মাদক মামলায় গ্রেফতার জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের পরিবারকে হত‍্যার হুমকি ঘাটাইলে ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তিন দিন ব্যাপী ভুমি সেবা মেলা রামগঞ্জে ভূমিসেবা মেলার উদ্ভোধন কালীগঞ্জে বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি নাসিরনগর উপজেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেএম বশির উদ্দিন তুহিন। পটুয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভূমিসেবা মেলা শুরু: তিন দিনব্যাপী সেবা পাবেন নাগরিকরা

পরীক্ষা মুলক ভাবে পান চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন তেতুলিয়া পান চাষি কৃষক আহম্মদ আলী

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম
পঞ্চগড় জেলায় তেতুলিয়া কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় পরীক্ষা মুলক ভাবে পান চাষে ঝুঁকছেন তেতুলিয়া চাষি আহমেদ আলী। তিনি পান চাষে সাফল্যও পেয়েছেন । তাই এই উপজেলায় তিনি পরীক্ষা মুলক ভাবে পান চাষ শুরু করেন গত ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উপজেলার তেতুলিয়া এলাকায় চায়ের পাশাশাশি
পান চাষ হয়। এছাড়া চাষের জন্য তেতুলিয়া ইউনিয়নও অন্যতম। স্থানীয় হাট বাজারে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত এসব পান বেচাকেনার হয়। অনেকে আবার পানকে ঔষধি গাছ হিসেবে ব্যবহার করছেন।

তেতুলিয়া মাগুরা গ্রামের মোঃ,ইব্রাহীম আলী বলেন গত ২ বছর থেকে শ্রমিক হিসেবে তিনি ৬ শত টাকায় হাজিরা কাজ করেন। পান চাষে আগে অভিজ্ঞা জানা তাই পরিচর্যাকারী দায়িত্ব পালন করেন।এতে তার ৬ সদস্য পরিবার সংসার চলে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, তেতুলিয়া এই উপজেলায় গত ২ বছরে নিজের জমিতে পান চাষ করা হয়েছে।

তেতুলিয়া এলাকার পান চাষি আহমেদ আলী
চাষি জানান, পানের বরজে এক প্রকার ফাপপচা রোগ দেখা দেয়। এ থেকে বাঁচাতে পারলে একটি বরজ ২০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত থাকে। সাধারণ আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে এ রোগটি বেশি দেখা যায়। তবে এ রোগ দমনে ফোরি, এডমা ও কাফডার নামে তিনটি ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও শীতের সময় এক প্রকার বিষাক্ত কুয়াশা পান গাছে লাগলে পান পাতা ঝরে যায়। এতে চাষিরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

পান চাষি বলেন, আমার ১৫ শতক জমির ওপর একটা পানের বরজ আছে, তার বয়স প্রায় ২ বছর হবে। বর্তমানে প্রতি বিড়া পান আকার ভেদে ৬০ থেকে ১০০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করতে পারছি। বাজারে চাহিদা থাকায় পুরাতন পানের যে দাম পেয়ে ছিলাম, নতুন পানেরও তেমনি দাম পাচ্ছি।

তেতুলিয়া পান চাষি আহমেদ আলী অভিযোগে জানান,তিনি কৃষি কর্মকর্তার সহযোগীতা পাননি। এমনকি সোনালি, ব্যাংক রাজশাহী উন্নত ব্যাংক গুলোতে কোন কৃষিঋণ সুবিধা না পেয়ে নিজের চা বিক্রি জমানো টাকা পান চাষ করেন।

তবে কৃষি বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্ভাবনাময় খাতকে আরো টেকসই করতে সরকারি প্রণোদনা, সহজ ঋণ, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা এবং বাজারজাতকরণে সহায়তা জরুরি। কারণ ব্যক্তিগত শ্রমে গড়ে ওঠা পানের বরজ এখন গগকৃষকের কাছে কেবল চাষ নয়- গ্রামীণ অর্থনীতির নতুন আশার নাম।

তেতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাবরিনা আফরিন সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা