• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
Headline
ভূতের ও জ্বীনের রাজত্ব যেন নরসিংপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তালাবদ্ধ ভবন, চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। শিশু আবিরার আবদার পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী: বগা সেতু পরিদর্শনে মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম চান্দিনায় বিশেষ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩, দুইজন মাদক মামলায় গ্রেফতার জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের পরিবারকে হত‍্যার হুমকি ঘাটাইলে ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তিন দিন ব্যাপী ভুমি সেবা মেলা রামগঞ্জে ভূমিসেবা মেলার উদ্ভোধন কালীগঞ্জে বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি নাসিরনগর উপজেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেএম বশির উদ্দিন তুহিন। পটুয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভূমিসেবা মেলা শুরু: তিন দিনব্যাপী সেবা পাবেন নাগরিকরা

আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব

Reporter Name / ৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর,প্রতিনিধি
জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক ইমাম ও খতীব কদমতলী হযরত দরিয়া শাহ রহ. মাজার জামে মসজিদ সিলেটের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর মতে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব জানিয়েছেন।

১. আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় কোনো ধরনের পুরুষ শিক্ষক বা কর্মচারী রাখা উচিত নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাজনিত ঘটনার পর বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণভাবে নারী পরিচালিত হওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সিলগালা করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

২. অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা অবৈধ মাদ্রাসা ও এতিমখানার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্ধারিত মানদণ্ড ও যোগ্যতা পূরণের পরই এসব প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা দেওয়া উচিত। মানদণ্ডহীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন।

৩. প্রতিটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে একটি বিশেষ মনিটরিং ও সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গঠন করা জরুরি।
এই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট টিম নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবে, শিক্ষার্থীদের সচেতন করবে এবং অভিযোগ জানানোর জন্য নিরাপদ মাধ্যম নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি হটলাইন নম্বর ও অভিযোগ বক্স স্থাপন করা যেতে পারে।

৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণচেষ্টা বা ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কঠোর শাস্তির বিধান থাকতে হবে—জেল, যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত।
এছাড়া কোনো অভিযুক্ত শিক্ষক যাতে অন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পুনরায় চাকরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

৫. অভিভাবকদের আরও সচেতন ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পরিবেশ সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নিতে হবে এবং তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা নির্ভয়ে সবকিছু জানাতে পারে।

৬. অনেক সময় প্রভাবশালী মহলের কারণে এসব ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ধামাচাপায় জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।

সন্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন একজন অভিভাবকের সিদ্ধান্ত হলেও, সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সচেতন থাকা জরুরি। অসচেতনতা একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে নষ্ট করে দিতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা