কয়রা উপজেলা প্রতিনিধিঃ
খুলনা জেলার কয়রা থানার মহেশ্বরীপুর গ্রামের আঃ রহমানের পুত্র কালনা আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক আঃ রহিম সরদারের বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজ ও আদম পাচারসহ নানা অপরাধে সার্বক্ষণিক সহযোগী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে।
কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের হারুন সরদারের কন্যা ভুক্তভোগী আয়শা খাতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কয়রা বরাবর অভিযোগসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, পুলিশ সুপার, অধ্যক্ষ কালনা আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, অফিসার ইনচার্জ, সার্কেল অফিসার-পাইকগাছা (এএসপি)সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগের অনুলিপি প্রেরন করেন।
ভুক্তভোগী ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মহেশ্বরীপুর নিবাসি মৃত শহিদুল ইসলাম সরদারের পুত্র আছাদুল সরদারের সহিত গত ইং ০৪/০৩/২০১৯ তারিখে ভুক্তভোগীর বিবাহ হয়। তাদের দুইটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহন করে নাম আনিসা আক্তার বয়স ৫ ও জান্নাতুল বয়স ২ বছর ৮ মাস। কিন্তু ভুক্তভোগী স্ত্রী থাকাবস্থায় তাহার স্বামী বিদেশ (সৌদি আরব) থাকাকালীন ও দেশে থাকিয়া বিভিন্ন পরনারীতে আসক্ত হইয়া পড়ে এবং আদম পাচারসহ বিদেশে নেওয়ার কথা বলিয়া টাকা আত্মসাৎ করা ইত্যাদি নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। আর তাহার এই সকল অনৈতিক কাজ ও আদম পাচারসহ সকল অবৈধ কাজ ও অপরাধে সার্বক্ষণিক সহযোগী হিসেবে আঃ রহিম কাজ করিয়া আসিতেছে। সম্প্রতি মহারাজপুর গ্রামের আসাদুল মোড়লের কন্যা ইসরাত জাহান ইশিতাকে অভিযোগকারীর স্বামীর সহিত গোপনে বিয়ে ঠিক করে এবং তারই ধারাবাহিকতায় আঃ রহিম মাস্টার কম্পিউটার দোকান থেকে বিয়ের হলফনামা তৈরি করিয়া মোবাইলের মাধ্যমে অভিযোগকারীর স্বামীর সাথে ইসরাত জাহান ইশিতাকে অবৈধভাবে আইন বহির্ভূতভাবে বিবাহ দেয়। আঃ রহিম মাস্টার সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশ্যে আইন বহির্ভূতভাবে উক্ত বিবাহ সম্পন্ন করিয়াছে। তাছাড়া আঃ রহিম মাস্টারের সহযোগিতায় ঈশিতার পিতা বিদেশে গমন করেছে এবং ঈশিতাকে বিদেশে নেওয়ার জন্য পাসপোর্ট রেডি করতেছে যেখানে ঈশিতার স্বামীর নামের জায়গায় ভুক্তভোগীর স্বামীর নাম রয়েছে।
অভিযোগের ব্যাপারে আঃ রহিম সরদার মুঠোফোনে জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। এ ব্যাপারে কালনা আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইউনুস আলী জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তাকে বিষয়টি মিমাংসা করিয়া লওয়ার জন্য বলেছি, পরবর্তীতে যদি আরও কোন কিছু করা লাগে সেটা করব।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল বাকী জানান, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।