বাকিরুল ইসলাম, জামালপুর প্রতিনিধি:
প্রযুক্তি ব্যবহার করে বড় পর্দায় (প্রজেক্টর) কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান, মনোযোগ আকর্ষণ ও সহজে পাঠ রপ্ত করানো এবং স্কুলের যাবতীয় তথ্য ই-প্রাইমারি স্কুল সিস্টেমে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে সরকার পিইডিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ল্যাপটপ দিয়েছে। এর আওতায় জামালপুরের মেলান্দহে উপজেলায় খাবুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আইসিটি শিক্ষার জন্য ল্যাপটপ দেওয়া হলেও তা শিক্ষার্থীদের কোনো কাজে আসছে না। ল্যাপটপটি সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) ফরহাদ হোসেন তার বাড়িতে নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে উপজেলার খাবুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) ফরহাদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের ল্যাপটপটি বাড়িতে নিয়ে গেছেন এবং তার ব্যক্তিগত কাজে ল্যাপটপটি ব্যবহার করছেন।
খাবুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফ উদ্দিন বলেন, এটিও স্যার কিছু দিন হলো ল্যাপটপটি নিয়ে গেছে।
সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) ফরহাদ হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ের ল্যাপটপটি দেড় মাস ধরে নিয়ে আসছি, সেটি ফেরত দেওয়া হবে।” উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে জানানো হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক ল্যাপটপটি বিদ্যালয়ে কোন দিন নিয়ে আসেনি।
শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর কখনো দেখেইনি।
মেলান্দহ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আলী চাকদার বলেন, ল্যাপটপ নিজ কাজে ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। তবে তিনি ল্যাপটপ ব্যবহার করছেন সেটা আপনারা তার সাথে কথা বলার পর জানিয়েছে।