অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর বড় বিঘাই ইউনিয়নের কেওয়াবুনিয়া এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকানের টিনের চাল কেটে চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনার মূল হোতা মোঃ সোহেল হাওলাদারসহ মোট দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে ২ ভরি ৪ আনা স্বর্ণ ও ৮২ ভরি রুপার অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে ) পুলিশ সুপারের কার্যালয়
পটুয়াখালী থেকে প্রদানকৃত প্রেস রিলিজে বলা হয়, গত ১২ ই মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টা থেকে সকাল ০৮ টার মধ্যে কেওয়াবুনিয়া এলাকার ‘লোকনাথ জুয়েলার্স’ নামক দোকানে এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা দোকানের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, ১৫০ ভরি রুপার অলংকার এবং ক্যাশ বক্স থেকে নগদ ২৮,৭০০ টাকা নিয়ে যায়। এই ঘটনায় দোকানের মালিক সঞ্জয় কর্মকার বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে পেনাল কোড ধারা-৪৫৭/৩৮০ এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং -৬০।
পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার, বিপিএম সেবা, মোঃ আবু ইউসুফ এর দিক নির্দেশনা ও সার্বিক তদারকিতে সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে গত ১ মে ২০২৬ তারিখে পটুয়াখালী থানা এলাকা থেকে মূল আসামি মোঃ সোহেল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরবর্তীতে ঢাকার কাফরুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই মাল ক্রয়কারী আসামি মোঃ আজাহার আলী ওরফে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আসামিদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া স্বর্ণের আংটি, কানের রিং, নাকফুল ও গলানো স্বর্ণসহ মোট ২ ভরি ৪ আনা স্বর্ণ এবং বিপুল পরিমাণ রুপার অলংকার উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি বাংলা দা ও একটি হাত করাত জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সোহেল হাওলাদার চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
চোরেরা দোকানের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, ১৫০ ভরি রুপার অলংকার এবং ক্যাশ বক্স থেকে নগদ ২৮,৭০০ টাকা নিয়ে যায়। এই ঘটনায় দোকানের মালিক সঞ্জয় কর্মকার বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে গত ১ মে ২০২৬ তারিখে পটুয়াখালী থানা এলাকা থেকে মূল আসামি মোঃ সোহেল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরবর্তীতে ঢাকার কাফরুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই মাল ক্রয়কারী আসামি মোঃ আজাহার আলী ওরফে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আসামিদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া স্বর্ণের আংটি, কানের রিং, নাকফুল ও গলানো স্বর্ণসহ মোট ২ ভরি ৪ আনা স্বর্ণ এবং বিপুল পরিমাণ রুপার অলংকার উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি বাংলা দা ও একটি হাত করাত জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সোহেল হাওলাদার চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, “সংবাদ প্রাপ্তির পর থেকেই আমাদের একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। প্রধান আসামি চুরির দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং এই ঘটনার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সহায়তাকারী জড়িত আছে কিনা তা নিরূপণে আমরা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।”