• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
Headline
ভূতের ও জ্বীনের রাজত্ব যেন নরসিংপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তালাবদ্ধ ভবন, চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। শিশু আবিরার আবদার পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী: বগা সেতু পরিদর্শনে মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম চান্দিনায় বিশেষ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩, দুইজন মাদক মামলায় গ্রেফতার জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের পরিবারকে হত‍্যার হুমকি ঘাটাইলে ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তিন দিন ব্যাপী ভুমি সেবা মেলা রামগঞ্জে ভূমিসেবা মেলার উদ্ভোধন কালীগঞ্জে বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি নাসিরনগর উপজেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেএম বশির উদ্দিন তুহিন। পটুয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভূমিসেবা মেলা শুরু: তিন দিনব্যাপী সেবা পাবেন নাগরিকরা

গ্রামীণ ব্যাংকের এক শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে প্রায় ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার

Reporter Name / ৭ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

আশীষ বিশ্বাস,নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের এক শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে প্রায় ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
শনিবার ৯ এপ্রিল জলঢাকা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোছাঃ মর্জিনা বেগম। তিনি জানান, তার স্বামী মোঃ আমজাদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ ব্যাংকের লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা এরিয়া অফিসে সিনিয়র অফিসার পদে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, নীলফামারী জেলার রামগঞ্জ বাজার শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ হামিদুল হকের সঙ্গে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় ধার, হাওলাত ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন হামিদুল হক।
অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে জমি ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ, অফিস পরিচালনা ও ব্যক্তিগত প্রয়োজন দেখিয়ে ধাপে ধাপে প্রায় ২৩ লাখ ৩১ হাজার ১৮ টাকা গ্রহণ করেন ওই শাখা ব্যবস্থাপক। এর মধ্যে কিছু অর্থ অফিসের হিসাব ঘাটতি পূরণ এবং অডিট সংক্রান্ত সমস্যার কথা বলে নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ হিসাব গরমিল ও আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবগত করা হলেও রহস্যজনক কারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
মর্জিনা বেগম বলেন, পাওনা টাকা ফেরত চাইলে শাখা ব্যবস্থাপক হামিদুল হক বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও চাকরিচ্যুতির হুমকি প্রদান করেন। এমনকি তার স্বামীকে মানসিক ভারসাম্যহীন আখ্যা দিয়ে দায়িত্বহীনভাবে অন্যত্র বদলি এবং ওএসডি করে রাখার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, তার স্বামীকে অদক্ষ প্রমাণের চেষ্টা করা হলেও ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর গ্রামীণ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কর্মদক্ষতার জন্য তাকে অভিনন্দনপত্র প্রদান করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, হামিদুল হকের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ব্যক্তির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় এক চিকিৎসকসহ কয়েকজন ভুক্তভোগী এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আত্মসাৎকৃত অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী সাহিদা বেগম, জরিনা বেগম, ছবেদা বেগম, শাহরিয়ার নাফিজ এবং ইউপি সদস্য শারাফত আলী সরু প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা