নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্বাধীনতার পর আশাবাড়ী গ্রাম থেকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম প্রার্থী, এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী আশাবাড়ী গ্রাম থেকে প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন সফল উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক মোঃ জালাল মিয়া। স্বাধীনতার পর এই গ্রাম থেকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এটিই প্রথম প্রার্থিতা হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে পবিত্র ঈদ উপলক্ষে প্রকাশিত তার শুভেচ্ছা পোস্টার ও নির্বাচনী প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সর্বত্র ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, তরুণ সমাজকে কর্মমুখী করা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশাবাড়ী গ্রামটি দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় তাহযিব-তামাদ্দুন, শিক্ষা-সংস্কৃতি ও সামাজিক ঐতিহ্যের জন্য সুপরিচিত। এ গ্রামে রয়েছে বহু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ-মাদরাসা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন। এছাড়াও এ গ্রাম থেকে মুক্তিযোদ্ধা, চিকিৎসক, বিসিএস ক্যাডার, আইনজীবী, আলেম-ওলামাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গুণী ব্যক্তিত্ব দেশের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
উল্লেখ্য, এর পূর্বে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শশীদল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন অত্র গ্রামের বিশিষ্ট আলেম পরিবার “মাওলানা আবদুল হাকিম (রহ.)”-এর নাতি এবং মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সাহেবের বড় ছেলে মুহাদ্দিস এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব। তিনিও স্বাধীনতার পর আশাবাড়ী গ্রাম থেকে চেয়ারম্যান পদে প্রথম প্রার্থী হিসেবে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন।
এদিকে মোঃ জালাল মিয়া তার সম্ভাব্য নির্বাচনী ইশতেহারে যুব উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মাদকবিরোধী কার্যক্রম, দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা খাতের উন্নয়ন এবং কৃষক-শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
তিনি বলেন,
“আমি জনগণের প্রতিনিধি হয়ে এলাকার উন্নয়ন, শান্তি, শিক্ষা ও মানবসেবায় কাজ করতে চাই। সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, শিক্ষিত, ঐতিহ্যবাহী ও সামাজিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ আশাবাড়ী গ্রাম থেকে ধারাবাহিকভাবে নেতৃত্বের উত্থান ব্রাহ্মণপাড়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে।