• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
Headline
ছাতারপাইয়ায় ইটভাটার তাণ্ডবে কৃষি ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে: প্রতিবাদ করায় যুবদল নেতা হানিফকে নানাধরণের হুমকির অভিযোগ ইবিতে বৃহত্তর কুমিল্লা ছাত্রকল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ঝিনাইগাতীতে ২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা, দুর্ভোগে ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে উচ্চ আদালতের রায় মেনে স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বগুড়ায় আইনজীবীদের ফুলেল শুভেচ্ছা মৎস্য খাবার উৎপাদন কারখানায় সিলগালা ছয় পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার, গুজব-অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান বিরোধ নয়, সমঝোতায় সমাধান—ভূরঘাটা-মজিদবাড়ীতে ফিরল স্বস্তি ফুলেল শুভেচ্ছা ও কেক কাটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কামালের জন্মদিন উদযাপন সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানির তারিখ নির্ধারণ

‘শিক্ষা শিল্পের ঐকতান’: ইবিতে কর্মসংস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

আব্দুল হালিম  / ১৭ Time View
Update : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘শিক্ষা শিল্পের ঐকতান: কর্মসংস্থানের সমাধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (০৩ অক্টোবর) বেলা ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায়— প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, আবুল খায়ের গ্রুপ, বেটোপিয়া গ্রুপ, টেলিটক, ইনোফিক্স আইটি সলিউশনস লিমিটেড, বেনকিউ, টেকনোডেরা, টিপি-লিংক বাংলাদেশ, সিঙ্গার, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, রাজবাড়ী জুট মিলস লিমিটেড, গ্রামীণফোন, আকিজ রিসোর্স, মেটাডোর ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ, বিআরবি কুষ্টিয়া, ডিবিসি নিউজ, গোল্ডেন জুট এবং ব্র্যাকসহ প্রায় ২৮টি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলো। এসময় তারা শিক্ষার সাথে কর্মসংস্থানের সমন্বয় করার বিষয়ে আলোচনা করেন।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বব্যবস্থায় মানুষের চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা ও কর্মক্ষেত্রের প্রকৃতিতে মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কারিকুলামে প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা অন্তর্ভুক্ত করা না গেলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে তারা প্রত্যাশিত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে না। আজকের অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের যে-সব শিল্পমালিক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন, গবেষণা, একাডেমিক কার্যক্রম এবং পারস্পরিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমওইউ (MoU) সম্পাদনের ক্ষেত্রে সদাপ্রস্তুত এবং সবসময় আমাদের দ্বার আপনাদের জন্য উন্মুক্ত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, পতিত সরকার জনগণের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা এবং তার সাথে করে সামনের দিকের অগ্রযাত্রার কোনো চিন্তা না করে তারা নিজেদেরকে লালন-পালন করার এক অর্থনীতি চালু করে রেখে গেছে, যেখানে বাংলাদেশের, বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজের এক অনিশ্চয়তাকর ভবিষ্যৎ রেখে গেছে। অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারাকে টেকসই করার লক্ষ্যে সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি একটি কৌশলগত কাঠামো গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা, এ কৌশলের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হচ্ছে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাকে এ কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে একটি নতুন ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হলে শুধু প্রবৃদ্ধির পরিমাণ বাড়ালেই হবে না; উৎপাদন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যেই সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও জনগণের ম্যান্ডেটকে একটি সুনির্দিষ্ট পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামোয় রূপ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও জনগণের ম্যান্ডেটকে একটি সুনির্দিষ্ট পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত কাঠামোর (Five-Year Strategic Framework) রূপ দেওয়া হয়েছে। এতে যেমন রয়েছে ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের দার্শনিক ভিত্তি, তেমনি রয়েছে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ ও টেকসই সমৃদ্ধির যাত্রায় সরকার ‘৩আর’ (3R) কৌশল গ্রহণ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা