• শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন
Headline
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট উৎপাদনে ফিরেছে কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ওলামা পরিষদের উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল ও মুয়াজ্জিন প্রশিক্ষণ আগামীকাল নারী ও শিশুদের রক্ষায় শরীয়াহ আইন প্রবর্তন করতে হবে-মহিলা বিভাগ-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঘাটাইলে কৃষি জমির মাটি ইট ভাটায় বিক্রির অপরাধে মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড    মানবতার নীরব সৈনিক: রোগীর সেবায় নিরলস শ্রী লিটন পাল মানবতার চার ফরি ওয়ালা নিজ গ্রামে ৫০০ মিটার রাস্তার ময়লা পরিষ্কার ডিমলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  বালিয়াকান্দিতে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন গভীর সমুদ্রে ৩ দিন ভাসমান ফিশিং বোটসহ ১৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করল কোস্ট গার্ড স্ক্রিনিং সাফল্যে প্রথম শ্রীমঙ্গল উপজেলার ডা. সিনথিয়া তাসমিন

নারী ও শিশুদের রক্ষায় শরীয়াহ আইন প্রবর্তন করতে হবে-মহিলা বিভাগ-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

আশরাফুদ্দীন আল আজাদ বিশেষ প্রতিনিধিঃ / ২৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

আশরাফুদ্দীন আল আজাদ বিশেষ প্রতিনিধিঃ

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সভানেত্রী মিসেস নুরুস সাবিহা ও সদস্য সচিব হাফেজা বুশরা এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থা নারী ও শিশুদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। শুধু রামিসার ক্ষেত্রেই নয় বরং আদালতে দাখিল হয়েছে এমন দেড় লক্ষ নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার করতেও বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থ ব্যবস্থা আমরা বিগত ৫৫ বছরে দেখেছি। এই আইনি ব্যবস্থা অপরাধীর পক্ষে অবস্থান নেয়, অপরাধীকে সুযোগ করে দেয়। কোন অপরাধীর-ই শাস্তি বাস্তবায়ন হয় না। ফলে দেশে একেরপর এক ঘটনা ঘটেই চলছে। একের পর এক ভয়াবহ হত্যাকান্ডের শিকার হচ্ছে আমাদের কোমলমতী শিশুরা। এমন বাস্তবতায় আমরা দাবী করছি যে, শিশু ও নারীদের রক্ষা করতে শরীয়াহ আইন প্রবর্তন করতে হবে। শরীয়াহ আইনের সফলতা প্রমানিত। বিশ্ব প্রায় এক হাজার বছর এই আইনের অধিনে নিরাপত্তার সাথে জীবন যাপন করেছে।

 

আজ ২১ মে বিবৃতিতে দুই নারী নেত্রী এই মন্তব্য করেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহিলা বিভাগের নেত্রীদ্বয় বলেন, আমরা অপরাধীর পরিচয়কে বড় করতে দেখতে চাই না। অপরাধ যেই করুক তাকেই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। গতকাল রামপুরার মাদ্রাসায় একটি ছেলে শিশুর লাশ উদ্ধার হয়েছে। সেই শিশুর সাথেও নিপিড়নমূলক আচরন হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত তদন্ত করার আহবান জানাচ্ছি। তদন্ত শেষে অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

 

নেত্রীদ্বয় বলেন, গত বছর আছিয়া হত্যা নিয়েও দেশ আলোড়িত হয়েছিলো। তৎকালীন আইন উপদেষ্টা নব্বই দিনের মধ্যে বিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন। আজকে এক বছর হতে চললো, অপরাধীর শাস্তি কার্যকর হয় নাই। রসু খান নামে সিরিয়াল কিলারকে ২০০৯ সালে একাধিক হত্যার অপরাধে আটক করা হয়। সেই নৃশংস অপরাধীর শাস্তিও বাস্তবায়ন হয় নাই। আসলে দেশে কোন অপরাধীর শাস্তিই বাস্তবায়িত হয় না। সেজন্য অপরাধীরা সাহস পায়। শরীয়াহ আইন প্রবর্তিত হলে দ্রুততম সময়ে কঠোর শাস্তি বাস্তবায়ন হবে। এতে করে অপরাধীদের মনে ভীতি তৈরি হবে। অপরাধ প্রবনতা কমে যাবে। তাই রামিসাদের রক্ষা করতে শরীয়াহ ছাড়া কোন উপায় নাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা