সীতাকুণ্ড মডেল থানা কম্পাউন্ডে ব্যক্তিগত গাড়ি রাখা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশের এক কনস্টেবলের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইমস অ্যান্ড অপস্) সিরাজুল ইসলাম থানায় এসে বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ইসমাইল হোসেনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড মডেল থানার কম্পাউন্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসমাইল হোসেন তার ব্যক্তিগত গাড়ি থানা কম্পাউন্ডে রাখেন। এ সময় থানার গাড়িচালক কনস্টেবল মোহাম্মদ সফিক গাড়িটি সরিয়ে এক পাশে রাখার জন্য বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ঘটনার পর পুলিশ ইসমাইল হোসেনকে থানায় আটক রাখে। বিষয়টি জানাজানি হলে যুবদলের নেতাকর্মীরা থানায় উপস্থিত হন। পরে সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাও থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. আলমগীর ইসমাইল হোসেনকে আটকে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম ছুটিতে থাকায় ঘটনার বিষয়ে জানতে এবং বিষয়টি সুরাহার জন্য রাত ১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইমস অ্যান্ড অপস্) সিরাজুল ইসলাম থানায় আসেন। তিনি বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরে আলোচনার পর রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ইসমাইল হোসেনকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, ইসমাইল হোসেনকে ছেড়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে ওই রাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে যুবদল নেতার সৃষ্ট বিরোধের আপাতত অবসান হয়েছে।