• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
Headline
ভূঞাপুরে ১৫ লাখ টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে আপন ভাই-বোনের বিরোধ, বড় ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন কুয়াকাটার পর এবার পুরো পটুয়াখালী ঘিরে পর্যটনের মহাপরিকল্পনা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে প্রিয় শিক্ষককে স্মরণ ঘাটাইলে শারদীয় দুর্গোৎসব: নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলায় বিশেষ নজর সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় দ্রুত ‘সাংবাদিক সুরক্ষা আইন’ প্রণয়নের দাবি নবীনদের বরণে বেতগাড়ী একরামিয়া মাদ্রাসায় প্রাণবন্ত আয়োজন ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো’—ডিমলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নানা কর্মসূচি শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম: মানিকগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবস দাসপাড়া হরি মন্দিরের সংস্কার উদ্বোধনে মেয়র প্রার্থী শরিফুল ইসলাম খোকন শিশিরভেজা ভোরে প্রকৃতির রূপবদল, আসছে কি শীত?

পীরগাছায় জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ, হয়রানির অভিযোগ পরিবারের

এম এ হোসেন পাটোয়ারী / ৩০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রংপুরের পীরগাছায় ব্যক্তি মালিকানাধীন রেকর্ডীয় জমিকে মাদ্রাসার সম্পত্তি দাবি করে বাড়ি নির্মাণে বাধা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার নেকমামুদ বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মানিক মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মানিক মিয়া জানান, উপজেলার রহমতচর এলাকায় রহমতচর দাখিল মাদ্রাসার পাশেই তাদের পৈতৃক বসতবাড়ি। সম্প্রতি সেখানে পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে মাদ্রাসার সুপার আফজাল হোসেনসহ কয়েকজন এতে বাধা দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মানিক মিয়ার দাবি, তার বাবা মতিয়ার রহমান রেকর্ড ও রেজিস্ট্রি দলিলমূলে সংশ্লিষ্ট মৌজার ২২৬১ নম্বর দাগে ২২ শতক জমির মালিক। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। জমিটির এসএ ও আরএস রেকর্ডও তাদের নামেই রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ২২৬২ নম্বর দাগে জমি ক্রয় করলেও কৌশলে তাদের ভোগদখলীয় ২২৬১ নম্বর দাগের জমিকে মাদ্রাসার সম্পত্তি দাবি করে বিরোধ সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে মাদ্রাসার সুপার আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় আবেদন করে তাদের হয়রানি করছেন বলেও অভিযোগ করেন মানিক মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারটি জমি সংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু তদন্ত এবং হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রহমতচর দাখিল মাদ্রাসার সুপার আফজাল হোসেন। তিনি জানান, ২০১৮ সালে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেছেন এবং জমি নিয়ে বিরোধে তার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই।

আফজাল হোসেনের দাবি, ১৯৯৩ সালের দলিলের মাধ্যমে মাদ্রাসা ২২ শতক জমি ক্রয় করেছে এবং জমিটির নামজারি (খারিজ) মাদ্রাসার নামেই রয়েছে। তবে আরএস জরিপের সময় প্রতিপক্ষ কৌশলে জমিটি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মাদ্রাসার সুপার আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে মাদ্রাসার সম্পত্তি উদ্ধারে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এতে তার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবির বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বিরোধের সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে আইনানুগভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা