গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১২ নং কামারজানি ইউনিয়নে ৭ম শ্রেণির (১৩) বছরের এক স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত অবশেষে প্রেমিক পুলিশের হাতে গ্রেফতার
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ওই মেয়ের প্রেমিক রফিক (২৩); ১২ নং কামারজানি ইউনিয়নের ১ নং- ওয়ার্ডের সবুজ মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে ২টি পরিবারের অজান্তে এসব অনৈতিক কাজ নির্যাতিত নারীর প্রেমিক গোপনে চালিয়ে আসছিল বলে জানায় ভুক্তভোগী পরিবারটি।
বর্তমানে মেয়েটি ৫ মাসের অন্ত:সত্তা বলে অভিযোগ করেন তার পরিবারের অভিভাবক পিতা- আলামিন মিয়া (৪৫)।
সম্প্রতি মেয়েটির পিতা-আলামিন মিয়া অভিযুক্ত ছেলেটির পরিবার এর কাছে গিয়ে এসব ঘটনার বিবরণ দিলে, অভিযুক্ত সবুজ মিয়ার ছেলে রফিক (২৩) তা অস্বীকৃতি জানায়। জানা গেছে, এ ধরনের মানুষিক নির্যাতনের স্বীকার হওয়া ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবার কে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এবং নানারুপ ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাটি সকলের অজান্তেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লেও প্রেমিক ও তার পরিবার বিষয়টি অস্বীকার করছে এবং দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।
অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ার পরেও ছেলেটির পরিবার মেয়ের পরিবার কে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে মেয়েটির পরিবার কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি বলেন, আমি যদি স্থানীয়ভাবে এর সুষ্ঠ বিচার ও কোন সমাধান না পাই তাহলে আমি আইনের দারস্থ হবো। মেয়েটির পিতা বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সমাজের সচেতন মানুষের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠ দাবী করেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এ বিষয়টি অবহিত করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারটির অভিভাবক আলামিন মিয়া (৪৫)।
ঘটনাটি ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া তীব্র ও এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এ ঘটনার পরে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করলে আজ ২ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রাতে ঐ অভিযুক্ত ব্যক্তি সবুজ মিয়ার ছেলে রফিক কে পুলিশ গ্রেফতার করে বলে প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।