• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
Headline
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ‘দৈনিক আমাদের কথা’র পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রাষ্ট্রের টাকার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে পেট্রোলসদ্যৃশ তরল ঢেলে শ্রমিক সর্দারকে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা, রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তি কালীগঞ্জে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার সুসুয়া চরে এইচসিআই -এর অর্থায়নে চাইল্ড স্পনসরশিপ প্রোগ্রামের সহায়তা সামগ্রী বিতরণ রাউজান প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত নদী বাঁচাও, দেশ বাঁচাও একজন জেলা প্রশাসক থেকে শিক্ষকেরা শিখবে কি? সাবেক শিবির কর্মী-সাথী ও সদস্যদের নিয়ে জামায়াতের সমাবেশ রাজনীতিতে উদারতা না থাকায় গণতন্ত্রের আড়ালে স্বৈরতন্ত্র

রাষ্ট্রের টাকার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে

Reporter Name / ১১ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। অর্থাৎ সংবিধান মোতাবেক রাষ্ট্র ও ক্ষমতার মূল মালিক দেশের সাধারণ মানুষ। জনগণের পক্ষে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করেন।
নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দুনীতিতে লিপ্ত হয়ে থাকেন। এই দুনীতিবাজরাই আইন প্রণয়ন করেন, দুনীতি করে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে যায়। জণগনের মতামত গ্রহণ না করে নিজেদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করে রাষ্ট্রের টেক্সের টাকায় বিলাশিতা করে থাকেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মাসিক মূল বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা সম্পূর্ণ আয়করমুক্ত। এছাড়া তিনি ও তার পরিবার রাষ্ট্রীয়ভাবে গাড়ি, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং বিদেশ সফরের সব খরচসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পান। দরিদ্র ও দুর্যোগের সহায়তার নামে বার্ষিক ২ কোটি টাকা বরাদ্দ, যার কোনো সরকারি অডিট হয় না। বিদেশ সফরের সব খরচ সরকার দেয় এবং বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে বার্ষিক সর্বোচ্চ ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বিমা সুবিধা রয়েছে। এসএসএফ নিরাপত্তা, যে কোন বিলের কোন অডিট করা যাবে না।

একজন বয়োবৃদ্ধ প্রেসিডেন্টকে কেন এতো সুযোগ সুবিধা দিতে। প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্র থেকে এতো সুযোগ সুবিধা নেওয়ার পরেও বাকশাল কায়েম করা ঠেকাতে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই, ভোটার বিহিন সংসদ নির্বাচন ঠেকান নাই। এস আলমের ১ লক্ষ কোটি টাকা লুটপাটের জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। আয়নাঘর, খুন, গুম, লুটপাট, সীমান্তে ফেলানী হত্যাকাণ্ড, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি অবিচার ও মিথ্যা মামলায় জেল, রাজনৈতিক দলের লিডারদের মিথ্যা মামলায় বিচারিক হত্যাকাণ্ড, খাদ্যের লাগামহীন মুল্য বৃদ্ধি নিয়ে চুপচাপ। এ ধরনের প্রেসিডেন্টকে কেন জনগণের টেক্সের টাকা ভোগ করতে সুযোগ দিতে হবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মাসিক মূল বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। বেতন ছাড়াও সরকার প্রধান হিসেবে তিনি সরকারি বাসভবন, যাতায়াত, চিকিৎসাসহ নানা ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। সরকারি বাসভবনে না থাকলে বাড়ি ভাড়া বাবদ মাসিক ১ লাখ টাকা পান।আসবাবপত্রসহ বিনামূল্যে সরকারি বা রাষ্ট্রীয় বাসভবন সুবিধা পান। নিজ বাড়িতে থাকলেও সরকারিভাবে সাজসজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বহন করা হয়। বিমান ভ্রমণের সময় ২৫ লাখ টাকার বীমা সুরক্ষা সুবিধা থাকে। ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেশ বা বিদেশের যেকোনো হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার সব খরচ রাষ্ট্র বহন করে। এতো সুযোগ সুবিধার পরেও আত্বীয় স্বজনকে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, ভাইস চ্যান্সেলর, মেয়র, ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ব্যাংকের মালিক, ঠিকাদার, রাষ্ট্রদুত বানিয়ে দেশে পারিবারিক শাসন কায়েম করে থাকেন।

বাংলাদেশের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা ‘মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রিমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অ্যাক্ট’ অনুযায়ী মাসিক বেতন, সরকারি বাসভবন, যাতায়াত, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। পূর্ণমন্ত্রীর মাসিক মূল বেতন ১,০৫,০০০ টাকা। প্রতিমন্ত্রীর মাসিক মূল বেতন ৯২,০০০ টাকা। উপমন্ত্রীর মাসিক মূল বেতন ৮৬,৫০০ টাকা। এই বেতনের সম্পূর্ণ অংশ করমুক্ত বা ট্যাক্স ফ্রি। সরকারি বাসভবনের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও টেলিফোন বিলসহ যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সরকার বহন করে। সরকারি বাসা ব্যবহার না করে নিজস্ব বাসায় থাকলে মন্ত্রীদের জন্য মাসিক ৮০,০০০ টাকা এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য ৭০,০০০ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় উন্নত চিকিৎসা সুবিধা পেয়ে থাকেন।

বাংলাদেশের সংসদ সদস্যরা মাসিক ৫৫,০০০ টাকা মূল বেতন ছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় পরিবহন, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং অফিস পরিচালনা বাবদ বিভিন্ন ধরনের সরকারি ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।নির্বাচনী এলাকার ভাতা: প্রতি মাসে ১২,৫০০ টাকা। সম্মানী ও অন্যান্য ভাতা: মাসিক সম্মানী ৫,০০০ টাকা এবং লন্ড্রি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত ভাতা। অফিস পরিচালনার জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট আর্থিক বরাদ্দ।চিকিৎসা সুবিধা: এমপি ও তাদের পরিবারের জন্য চিকিৎসা খরচ ও আর্থিক সহায়তা। ন্যাম ভবনের ফ্লাটের ভাড়া মাত্র ৭০০.০০ টাকা।, বাংলাদেশ ব্যাংকের গেষ্ট হাউসে এসি রুমের ভাড়া প্রতিদিন মাত্র ৭০.০০ টাকা।

সচিব গ্রেড-১ জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সচিবদের মূল বেতন ৭৮,০০০ টাকা (স্থিরকৃত) এবং সিনিয়র সচিবদের ক্ষেত্রে মূল বেতন কিছুটা বেশি বা গ্রেড-১ এর সর্বোচ্চ ধাপ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। মূল বেতনের পাশাপাশি তারা সরকার থেকে বিভিন্ন ধরনের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে গাড়ি বা বাড়ি ক্রয়ের জন্য বিশেষ নমনীয় শর্তে ব্যাংক ঋণ সুবিধা।

সরকারী খরচ অপচয় সংক্রান্ত কমিটি” নামে স্থায়ী কোনো একক কেন্দ্রীয় কমিটি নেই। তবে সরকার বিভিন্ন সময়ে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো, মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করা এবং বাজেট বরাদ্দ সঠিকভাবে তদারকি করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন এবং বিভিন্ন সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স বা অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে এই দায়িত্ব পালন করে থাকে।সরকারি খরচ কমানোর প্রধান ক্ষেত্রসমূহ, অপ্রয়োজনীয় ও কম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প স্থগিত বা বাতিল করা, বৈদেশিক ভ্রমণ, সেমিনার ও ওয়ার্কশপের ব্যয় সংকোচন করা, বিলাসবহুল বা নতুন গাড়ি কেনা এবং আপ্যায়ন খাতের খরচ কমানো, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও অন্যান্য অনুৎপাদনশীল খাতের ব্যবহার সীমিত করা। সচিবরা পদমর্যাদা অনুযায়ী সরকারি গাড়ি ব্যবহারের পাশাপাশি সুদমুক্ত ঋণ ও গাড়ি সেবা নগদায়ন সুবিধার আওতায় রক্ষণাবেক্ষণ খরচ পেয়ে থাকেন। এই নীতিমালায় গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ (যেমন মাসিক ৫০ হাজার টাকা) পাওয়ার প্রবিধান রয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো সরকারী কর্মকর্তাদের গাড়ি দেওয়া হলে সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে আবার ব্যক্তিগত গাড়ি কেন?

গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ (যেমন মাসিক ৫০ হাজার টাকা) পাওয়ার প্রবিধান কেন? তাহলে একজন সচিব পালতে হলে মাসিক কত টাকা। একটি ব্যক্তিগত গাড়ি মেরামতের জন্য মাসিক খরচ ৫০,০০০ টাকা কেন? সরকারী গাড়ি বন্ধের দিন ব্যবহার করে স্ত্রী ছেলে মেয়েদের নিয়ে রাষ্ট্রের টেক্সের টাকায় বিলাশিতা কেন? ড্রাইভারের অতিরিক্ত ওভারটাইমের বাড়তি বিল কেন রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি-র সভাপতি। তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে যে, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও উপদেষ্টাদের বিশাল বিল রাষ্ট্রের টেক্সের টাকায় পরিশোধ করা হয়েছে। বিগত ফ্যাসিবাদী শাসন বিলুপ্ত হওয়ার পরে রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে ব্যাপক হৈচৈ করা হয়েছে, অধ্যাপক আলী রিয়াজ, এডভোকেট শিশির মুনির, সালাউদ্দীন আহমেদ প্রমুখ ইউনুস সরকারের বিভিন্ন কমিশন দেশের মালিকের টাকার অপচয় রোধের প্রদক্ষেপ কি গুড়েবালি।

রাষ্ট্রের টেক্সের কোটি কোটি টাকা অপচয় করার জন্য বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থদের প্রেসিডেন্ট, উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য পদে নিযুক্ত করা হয়। এ ধরনের খারাপ কালচার থেকে রাজনৈতিক দলগুলো কখন বেরিয়ে আসবে। সেনাবাহিনীর জেনারেল পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সাধারণত ৬০ বছর বয়স বা নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন বিধান রয়েছে।বাংলাদেশের সরকারি চাকুরিবিধি মোতাবেক সচিব বা সিনিয়র সচিবদের অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিলে বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি হতে পারে। বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর। বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বা অবসরের বয়স ৬৭ বছর। এই বয়স পূর্ণ হওয়ার পর তাঁরা অবসর নেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর। বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থদের প্রেসিডেন্ট, উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য পদে নিযুক্ত করা বন্ধ করতে হবে। অতীতের খারাপ কালচার থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং কমিশনের বয়স সীমা হবে ৭০ বছর। এ সংক্রান্ত বিল সংসদে পাশ করতে হবে।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি। তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে যে, সিংগাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৩ সালের ২০ মার্চ বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান মারা যান। তার কোটি কোটি ডলার বিল রাস্ট্রের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন নিজের চিকিৎসার জন্য সরকার থেকে ৮১.৯১ লাখ টাকা নিয়েছেন। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ তার স্ত্রীর চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকারি কোষাগার থেকে ৭৯.৩৮ লাখ টাকা নিয়েছেন। উপদেষ্টাদের ১৮ মাসের দায়িত্বকালেই চিকিৎসা বাবদ এত বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া নৈতিকভাবে যৌক্তিক ছিল কিনা।

বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার যাবতীয় খরচ রাস্ট্রের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার নাতনির নিকট গমন, আমেরিকার মিয়ামিতে অবস্থান, চিকিৎসা ও আনুষঙ্গিক সব খরচ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বহন করা হয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বিভিন্ন সময়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত থাকাকালীন সরকার যাবতীয় চিকিৎসা বিল বহন করেছিল। সিঙ্গাপুরে তার চিকিৎসা ব্যয় হয়েছিল ৮৫ হাজার ৯২৩ দশমিক ৩৫ ডলার।ফ্যাসিবাদের দোষর জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের থাইল্যান্ডের (ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতাল) চিকিৎসা ব্যয় প্রকাশ করা হয়নি। ২০২১ এবং ২০২২ সালে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দীর্ঘ ৮ মাস পর্যন্ত সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে।

অসুস্থ বয়স্ক দায়িত্ব পালনে অসমর্থ্য ব্যক্তিদের প্রেসিডেন্ট বানানো এটা এক ধরনের অসততা এবং দুর্নীতি। বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থদের প্রেসিডেন্ট, উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য পদে নিযুক্ত করা বন্ধ করতে হবে। জাতীয় খারাপ কালচার থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং কমিশনের বয়স সীমা হবে ৭০ বছর। সরকারী কর্মকর্তাদের বন্ধের দিন গাড়ি ব্যবহার ও ড্রাইভারের ওভারটাইমের বিল বন্ধ করা উচিত। সরকারী কর্মকর্তাদের অপচয় রোধ সংক্রান্ত বিল সংসদে পাশ করতে হবে।

ড. খন্দকার নাজমুল হক
প্রাবন্ধিক ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা