এস এম বাদল কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
দৌলতপুরে নেই কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। একজন ব্যাক্তি জমি দান করলেও শুরু হয় নি সরকারি ভাবে কোন কাজ।
কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলা ১৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। লোকজনের বসবাস ৫ লাখ মানুষের সুরক্ষায় দুই যুগেরও নির্মিত হয়নি একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। জমি জজতা কাটিয়ে চার বছর আগে ভূমি বরাদ্দ হলে এখনো হয় নি নির্মাণ কাজ। প্রতিবছর অগ্নিকাণ্ডে কোটি টাকার সম্পদ ছাই হয়ে দেখা যায়।এই জনপদ মানুষ আর কত অপেক্ষা প্রহর গুনবে ফায়ার সার্ভিসের আশায়।
দৌলতপুর ইউনিয়নের চুমোল্লিক পাড়া গ্রামে হাসিনা বানু নামে এক হদয়বান মহিলা ফায়ার সার্ভিসের জন্য এই জায়গায় টি চুমোল্লিক পাড়ায় পাকা রাস্তার পাশে দান করেছেন। আমরা জানি প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস থাকা সত্ত্বেও কুষ্টিয়া জেলার বৃহত্তর উপজেলা দৌলতপুরে এখানে আছে অসংখ্য বাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলকারখানা ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। তবে এত বড় জনপদে নেই কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ফলে উপজেলার কোথায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে নির্ভর করতে হয় পার্শ্ববর্তী উপজেলা ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের উপর।
কোথাও কোন জায়গায় আগুন ধরলে নিভানোর জন্য অপেখ্খা করতে ৩০ থেকে ৫০ মিনিট সময়ে র বেশি। ভেড়ামারা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিস এর গাড়ির উপর নির্ভর করতে হয় জন সাধারণ মানুষের।
অগ্নিকাণ্ডের পর দলকল বাহিনী পৌঁছানোর আগে পুড়ে যায় মূল্যবান সম্পদ বসত বাড়ি সহ নানা স্থাপনা।
উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এর উদ্যোগ নেওয়া হয় প্রায় দুই যুগ আগে তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় থমকে থাকে কার্যক্রম এমন বাস্তবতায় ২০২২ সালে চুয়ামল্লিকপাড়া এলাকায় হাসিনা বানু নামে এক নারী স্টেশন নির্মাণের জন্য ৮২ শতক জমি দান করেন।
এরপরও কেটে গেছে ৪ বছর। আলোর মুখ দেখেনি দৌলতপুর বাসী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সেটা এখনো পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেয় নি বিগত সরকার বা বর্তমান সরকার।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন ফায়ার সার্ভিসের স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে প্রক্রিয়াটির শেষে শিখগিরি শুরু হবে। কুষ্টিয়ায় গত বছর চারশো ২৫টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে আর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঘটেছে ৭৪ টি আগুনে জ্বলন্ত অগ্নকান্ড মত ঘটনা।
বিষয় টি নিয়ে দৌলতপুরের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা সংসদে উত্থাপন করেছেন।
কুষ্টিয়া দৌলতপুরের বর্তমান সংসদ সদস্য কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি উপর মহলে কথা বলেছি,কিন্তু এই বৃহত্তর দৌলতপুরে একটি ফায়ার সার্ভিস অতি সত্তর দরকার।
দৌলতপুর উপজেলার বর্তমান ইউএনও অনিন্দ্য গুহ মহাদয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন
আমরা এ বিষয় টি নিয়ে অনেক জায়গায় কথা বলেছি তারা আমাদের আশা দিয়েছে।
বর্তমানে দৌলতপুরে একটি ফায়ার সার্ভিস জরুরী ভাবে প্রয়োজন।দৌলতপুরে বাসিন্দা অপেক্ষা করছে।